HSC BANGLA 2ND PAPER

বাংলা উচ্চারণের নিয়ম

উদাহরণসহ বাংলা উচ্চারণের গুরুত্বপূর্ণ ৯টি নিয়ম

01

১.১. উদাহরণসহ বাংলা উচ্চারণের পাঁচটি নিয়ম লেখো। ১.২. উচ্চরণরীতি কাকে বলে? উদাহরণসহ বাংলা উচ্চারণের চারটি নিয়ম লেখো।

চ.বো. ২২ঢা.বো. ১৬ব.বো. ১৬য.বো. ১৯

প্রতিটি শব্দ যথার্থ উচ্চারণের জন্য কতগুলো নিয়ম বা সূত্র প্রণীত হয়েছে। শব্দের উচ্চারণের এসব নিয়ম বা সূত্র সমষ্টিকে বলা হয় উচ্চারণরীতি। ১. শব্দের আদ্য ‘অ’-এর পর ই-কার থাকলে ‘অ’-এর উচ্চারণ ‘ও’-এর মতো হয়। যেমনঃ অভিধান > ওভিধান্, ছবি > ছোবি। ২. অন্ত্য ‘অ’-এর আগে অনুস্বার (-ং) বা বিসর্গ (-ঃ) থাকলে সেই ‘অ’-এর উচ্চারণ ‘ও’ এর মতো হয়। যেমনঃ অংশ > অঙ্‌শো, দুঃখ > দুক্খো। ৩. আদ্য ‘অ’-এর পর ‘ক্ষ’ থাকলে সে ‘অ’-এর উচ্চারণ সাধারণত ‘ও’-এর মতো হয়। যেমনঃ দক্ষ > দোক্‌খো, লক্ষণ > লোক্‌খোন। ৪. শব্দের আদ্য ব্যঞ্জণবর্ণের ম-ফলা যুক্ত হলে সেই ‘ম’ অনুচ্চারিত থাকে। যেমনঃ স্মরণ > শঁরোন্, শ্মশান > শঁশান্। ৫. শব্দের শেষে যুক্তব্যঞ্জণ থাকলে শেষের ‘অ’ সাধারণত ‘ও’ রুপে উচ্চারিত হয়। যেমনঃ বক্ষ > বোক্‌খো, শক্ত > শক্‌তো

02

উদাহরণসহ বাংলা অ-ধ্বনি উচ্চারণের যেকোনো পাঁচটি নিয়ম লেখো।

ঢা.বো. ২৫, ২২, ১৯, ১৭রা.বো. ২৫, ২৪, ২৩দি.বো. ২৪, ১৭চ.বো. ২৫, ২৪, ১৯, ১৬সি.বো. ১৯য.বো. ১৭ম.বো. ২৫, ২৩ব.বো. ১৯, ১৭কু.বো. ২৫, ১৭, ১৬

১. আদ্য ‘অ’-এর পর ‘ক্ষ’ থাকলে সে ‘অ’-এর উচ্চারণ সাধারণত ‘ও’-এর মতো হয়। যেমনঃ দক্ষ > দোক্‌খো, লক্ষণ > লোক্‌খোন। ২. শব্দের শেষে যুক্তব্যঞ্জণ থাকলে শেষের ‘অ’ সাধারণত ‘ও’ রুপে উচ্চারিত হয়। যেমনঃ বক্ষ > বোক্‌খো, শক্ত > শক্‌তো ৩. শব্দের আদ্য ‘অ’-এর পর য-ফলাযুক্ত ব্যঞ্জণবর্ণ থাকলে ‘অ’-এর উচ্চারণ সাধারণত ‘ও’-এর মতো হয়। যেমনঃ গদ্য > গোদ্‌দো, কল্যাণ > কোল্‌লান্। ৪. মধ্য ‘অ’-এর আগে ‘অ’ থাকলে সেই মধ্য ‘অ’-এর উচ্চারণ ‘ও’-এর মতো হয়ে থাকে। যেমনঃ যতন > জতোন্, কমল > কমোল্। ৫. মধ্য ‘অ’-এর আগে ‘আ’ থাকলে সেই মধ্য ‘অ’-এর উচ্চারণ ‘ও’-এর মতো হয়ে থাকে। যেমনঃ কানন > কানোন্, ভাষণ > ভাশোন্।

03

উদাহরণসহ আদ্য ‘অ’ উচ্চারণের পাঁচটি নিয়ম লেখো।

য.বো. ১৯রা.বো. ১৭

১. আদ্য ‘অ’-এর পর ‘ক্ষ’ থাকলে সে ‘অ’-এর উচ্চারণ সাধারণত ‘ও’-এর মতো হয়। যেমনঃ দক্ষ > দোক্‌খো, লক্ষণ > লোক্‌খোন। ২. শব্দের আদ্য ‘অ’-এর পর ই-কার থাকলে ‘অ’-এর উচ্চারণ ‘ও’-এর মতো হয়। যেমনঃ অভিধান > ওভিধান্, ছবি > ছোবি। ৩. শব্দের আদ্য ‘অ’-এর পর য-ফলাযুক্ত ব্যঞ্জণবর্ণ থাকলে ‘অ’-এর উচ্চারণ সাধারণত ‘ও’-এর মতো হয়। যেমনঃ গদ্য > গোদ্‌দো, কল্যাণ > কোল্‌লান্। ৪. শব্দের আদ্য ‘অ’-এর পর যদি ঋ-কার যুক্ত ব্যঞ্জণবর্ণ থাকে তবে সে ‘অ’ এর উচ্চারণ সাধারণত ‘ও’-এর মতো হয়। যেমনঃ মসৃণ > মোসৃন্, বক্তৃতা > বোক্‌তৃতা। ৫. র-ফলা যুক্ত আদ্য ‘অ’-এর উচ্চারণ ‘ও’ কারের মতো হয়। যেমনঃ প্রথম > প্রোথোম্, গ্রহ > গ্রোহো।

04

উদাহরণসহ অন্ত ‘অ’ উচ্চারণের পাঁচটি নিয়ম লেখো।

কু.বো. ১৯

১. অন্ত্য ‘অ’-এর আগে অনুস্বার (-ং) বা বিসর্গ (-ঃ) থাকলে সেই ‘অ’-এর উচ্চারণ ‘ও’ এর মতো হয়। যেমনঃ অংশ > অঙ্‌শো, দুঃখ > দুক্খো। ২. শব্দান্তে যুক্তব্যঞ্জণ থাকলে শেষের ‘অ’ সাধারণত ‘ও’ রুপে উচ্চারিত হয়। যেমনঃ বক্ষ > বোক্‌খো, শক্ত > শক্‌তো। ৩. ‘ত’ এবং ‘ইত’ প্রত্যয়ান্ত শব্দ বিশেষণ হলে সেই অন্ত ‘অ’ এর উচ্চারণ ‘ও’-কারান্ত হয়ে থাকে। যেমনঃ ধৃত > ধৃতো, বিবাহিত > বিবাহিতো। ৪. অন্ত ‘অ’ এর পূর্বে র-ফলা বা ঋ-কার থাকলে সেই ‘অ’ এর উচ্চারণ ‘ও’ এর মতো হয়। যেমনঃ বিকৃত > বিকৃতো, মৃত > মৃতো। ৫. ক্রিয়া পদের অন্ত ‘অ’ সাধারণত ‘ও’ রুপে উচ্চারিত হয় যেমনঃ যাব > জাবো, করেছিল > কোরেছিলো।

মোট 4টি গুরুত্বপূর্ণ উচ্চারণের নিয়ম