১.১. উদাহরণসহ বাংলা উচ্চারণের পাঁচটি নিয়ম লেখো। ১.২. উচ্চরণরীতি কাকে বলে? উদাহরণসহ বাংলা উচ্চারণের চারটি নিয়ম লেখো।
প্রতিটি শব্দ যথার্থ উচ্চারণের জন্য কতগুলো নিয়ম বা সূত্র প্রণীত হয়েছে। শব্দের উচ্চারণের এসব নিয়ম বা সূত্র সমষ্টিকে বলা হয় উচ্চারণরীতি। ১. শব্দের আদ্য ‘অ’-এর পর ই-কার থাকলে ‘অ’-এর উচ্চারণ ‘ও’-এর মতো হয়। যেমনঃ অভিধান > ওভিধান্, ছবি > ছোবি। ২. অন্ত্য ‘অ’-এর আগে অনুস্বার (-ং) বা বিসর্গ (-ঃ) থাকলে সেই ‘অ’-এর উচ্চারণ ‘ও’ এর মতো হয়। যেমনঃ অংশ > অঙ্শো, দুঃখ > দুক্খো। ৩. আদ্য ‘অ’-এর পর ‘ক্ষ’ থাকলে সে ‘অ’-এর উচ্চারণ সাধারণত ‘ও’-এর মতো হয়। যেমনঃ দক্ষ > দোক্খো, লক্ষণ > লোক্খোন। ৪. শব্দের আদ্য ব্যঞ্জণবর্ণের ম-ফলা যুক্ত হলে সেই ‘ম’ অনুচ্চারিত থাকে। যেমনঃ স্মরণ > শঁরোন্, শ্মশান > শঁশান্। ৫. শব্দের শেষে যুক্তব্যঞ্জণ থাকলে শেষের ‘অ’ সাধারণত ‘ও’ রুপে উচ্চারিত হয়। যেমনঃ বক্ষ > বোক্খো, শক্ত > শক্তো