HSC BANGLA 2ND PAPER

বাংলা বানানের নিয়ম

উদাহরণসহ বাংলা বানানের গুরুত্বপূর্ণ ৬টি নিয়ম

01

১.১. বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বাংলা বানানের যেকেনো পাচঁটি নিয়ম লিখো। ১.২. বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম অনুসারে ই, উ, ক্ষ, শ এবং রেফ ব্যবহারের একটি করে নিয়ম উদাহরণসহ লেখো।

ঢা.বো. ২৫, ২৪, ২৩, ২২ম.বো. ২৪, ২৩সি.বো. ২৩, ১৯চ.বো. ২৩, ১৯দি.বো. ২৪, ২৩, ১৯য.বো. ২৩, ১৯, ১৬রা.বো. ২৫, ২৩, ১৭কু.বো. ২৫, ২৩, ১৭, ১৬ব.বো. ২৩, ১৯, ১৭সকল বোর্ড ১৮

১. সব অতৎসম শব্দের বানানে ই-কার হবে। যেমনঃ কাহিনি, সরকারি ইত্যাদি। ২. সব অতৎসম শব্দের বানানে উ-কার হবে। যেমনঃ চুন, পুজো, পুব ইত্যাদি। ৩. অতৎসম শব্দে ‘ক্ষ’ এর স্থলে ‘খ’ হবে। যেমনঃ খিদে, খুর ইত্যাদি। ৪. ভাষা ও জাতিবাচক শব্দে ই-কার হবে। যেমনঃ জাপানি, আরবি ইত্যাদি। ৫. রেফের পর ব্যঞ্জনবর্ণের দ্বিত্ব হবে না। যেমনঃ কর্ম, মর্ম ইত্যাদি।

02

বাংলা একাডেমি প্রণীত তৎসম শব্দের বানানের পাচঁটি নিয়ম লেখো।

দি.বো. ২৫কু.বো. ২৪য.বো. ২৪ঢা.বো. ১৯রা.বো. ১৯

১. রেফের পর ব্যঞ্জনবর্ণের দ্বিত্ব হবে না। যেমনঃ কর্ম, মর্ম ইত্যাদি। ২. যেসব তৎসম শব্দে ই, ঈ বা উ, ঊ উভয়ই শুদ্ধ সেসব শব্দে কেবল ই বা উ এবং তার কারচিহ্ন -ি,ু হবে। ৩. সন্ধির ক্ষেত্রে ক খ গ ঘ পরে থাকলে পূর্বপদের অন্তস্থিত ম স্থানে অনুস্বার (-ং) হবে। যেমনঃ অহম্+কার = অহংকার, সম্+গীত = সংগীত ইত্যাদি। ৪. ইন্-প্রত্যয়ান্ত শব্দের সঙ্গে -ত্ব ও -তা প্রত্যয় যুক্ত হলে ই-কার হবে। যেমনঃ কৃতি - কৃতিত্ব, দায়ী - দায়িত্ব, প্রতিযোগী - প্রতিযোগিতা, মন্ত্রী - মন্ত্রিত্ব, সহযোগী - সহযোগিতা ইত্যাদি। ৫. শব্দের শেষে বিসর্গ (-ঃ) থাকবে না। যেমনঃ প্রধানত, ক্রমশ, কার্যত, প্রথমত, প্রায়শ, মূলত ইত্যাদি।

03

বাংলা একাডেমি প্রণীত অতৎসম শব্দের বানানের পাচঁটি নিয়ম লেখো।

ম.বো. ২৫চ.বো. ২৫, ২৪, ১৬রা.বো. ২৪ব.বো. ১৬সি.বো. ১৭

১. সব অতৎসম শব্দের বানানে ই-কার হবে। যেমনঃ কাহিনি, সরকারি ইত্যাদি। ২. সব অতৎসম শব্দের বানানে উ-কার হবে। যেমনঃ চুন, পুজো, পুব ইত্যাদি। ৩. অতৎসম শব্দের বানানে ণ ব্যবহৃত হবে না। যেমনঃ ইরান, কোরান, গভর্নর, পরান ইত্যাদি। ৪. বিশেষণ পদ সাধারণত পরবর্তী পদের সঙ্গে যুক্ত হবে না। যেমনঃ লাল পদ্ম, নীল আকাশ ইত্যাদি। ৫. হস্ চিহ্ন যথাসম্ভব বর্জিত হবে। যেমনঃ টক, টাক, ডিশ, শখ, বক ইত্যাদি।

04

বাংলা বানানে ই-কার ব্যবহারের পাচঁটি নিয়ম লেখো।

সি.বো. ২৫, ১৭ব.বো. ২৫, ২৪দি.বো. ১৭, ১৬

১. সব অতৎসম শব্দের বানানে ই-কার হবে। যেমনঃ কাহিনি, সরকারি ইত্যাদি। ২. ভাষা ও জাতিবাচক শব্দে ই-কার হবে। যেমনঃ জাপানি, আরবি ইত্যাদি। ৩. বিশেষণবাচক ‘আলি’ প্রত্যয়যুক্ত শব্দে ই-কার হবে। যেমনঃ বর্ণালি, সোনালি ইত্যাদি। ৪. পদাশ্রিত নির্দেশক শব্দে ই-কার হবে। যেমনঃ মেয়েটি, বইটি, কলমটি ইত্যাদি। ৫. ক্রিয়াবাচক শব্দে ই-কার হবে। যেমনঃ পড়েছি, দেখেছি, করেছি ইত্যাদি।

মোট 4টি গুরুত্বপূর্ণ বানানের নিয়ম